পিতৃ পরিচয়ের জন্য ৬ দিনের শিশু আদালতে
বাবার পরিচয় নিশ্চিত হওয়ার জন্য জন্ম গ্রহণের ছয় দিনের মাথায় আদালতে যেতে হলো ফুটফুটে শিশুটিকে। সপ্তম শ্রেণিতে পড়ূয়া শিক্ষার্থীর গর্ভে জন্ম নেওয়া শিশুটির নাম রাখা হয়েছে ফাহিম। ক্ষত নিয়েই গতকাল সোমবার সদ্যপ্রসূত সন্তানকে বুকে নিয়ে আদালতে যান ১৫ বছর বয়সে মা হওয়া শিশুটি। আদালত পাড়ায় এ সময় উৎসুক জনতা ভিড় করেন মা ও সন্তানটিকে দেখার জন্য। সন্তানের পিতা ও নিজের স্বামীর পরিচয়ের স্বীকৃতি দেওয়ার জন্য ২২ ধারায় জবানবন্দি দিতে গিয়ে আদালতকে তিনি অনুরোধ করেছেন।
শ্রীপুরের উজিলাব গ্রামের এক রিকশাচালকের মেয়েকে একই এলাকার মুছা মেম্বারের ছেলে মিজানুর রহমান ভয় দেখিয়ে মাসের পর যৌন হয়রানি করে। মেয়েটি জানায়, বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে কখনও বিয়ের প্রলোভনে কখনও আবার মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করেছে। বিষয়টি প্রকাশ করা হলেই তাকে গুম করার হুমকিও দেওয়া হতো। একপর্যায়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ূয়া এই শিক্ষার্থী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। নির্যাতনের শিকার মেয়েটির ভাই বলেন, সম্প্র্রতি বোনের পেটব্যথা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক আলট্রাসনোগ্রাম করার জন্য পরামর্শ দেন। বেসরকারি একটি হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম করার পর রিপোর্টে ওই শিশুর গর্ভে বাচ্চা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে লোকলজ্জার ভয়ে তাকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায় মেয়ের আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে সরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করায় তার পরিবার। ৪ নভেম্বর অপরিপকস্ফ অবস্থায় সাত মাসেই অস্ত্রোপচারে ভূমিষ্ঠ হয় ফুটফুটে এক পুত্র সন্তান। এ ঘটনায় গত বুধবার মেয়ের ভাই বাদী হয়ে মিজানুর রহমানকে আসামি করে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত মিজান পলাতক।
শ্রীপুরের উজিলাব গ্রামের এক রিকশাচালকের মেয়েকে একই এলাকার মুছা মেম্বারের ছেলে মিজানুর রহমান ভয় দেখিয়ে মাসের পর যৌন হয়রানি করে। মেয়েটি জানায়, বাবা-মা বাড়িতে না থাকার সুযোগে কখনও বিয়ের প্রলোভনে কখনও আবার মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তাকে যৌন নির্যাতন করেছে। বিষয়টি প্রকাশ করা হলেই তাকে গুম করার হুমকিও দেওয়া হতো। একপর্যায়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ূয়া এই শিক্ষার্থী গর্ভবতী হয়ে পড়ে। নির্যাতনের শিকার মেয়েটির ভাই বলেন, সম্প্র্রতি বোনের পেটব্যথা হলে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক আলট্রাসনোগ্রাম করার জন্য পরামর্শ দেন। বেসরকারি একটি হাসপাতালে আলট্রাসনোগ্রাম করার পর রিপোর্টে ওই শিশুর গর্ভে বাচ্চা থাকার বিষয়টি নিশ্চিত হয়। পরে লোকলজ্জার ভয়ে তাকে নিয়ে কিশোরগঞ্জ সদর এলাকায় মেয়ের আত্মীয়ের বাড়িতে গিয়ে সরকারি হাসপাতালে অস্ত্রোপচার করায় তার পরিবার। ৪ নভেম্বর অপরিপকস্ফ অবস্থায় সাত মাসেই অস্ত্রোপচারে ভূমিষ্ঠ হয় ফুটফুটে এক পুত্র সন্তান। এ ঘটনায় গত বুধবার মেয়ের ভাই বাদী হয়ে মিজানুর রহমানকে আসামি করে শ্রীপুর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর থেকেই অভিযুক্ত মিজান পলাতক।
এসআই শহিদুল ইসলাম মোল্লাহ বলেন, সোমবার দুপুরে মা ও ৬ দিন বয়সের শিশুটিকে আদালতে নেওয়া হয়। এ সময় ওই শিশুর অসুস্থ মা আদালতে ২২ ধারায় জবানবন্দি দেয়। আদালতকে বলে, পাশাপাশি ঘরে থাকত মিজান। মিজানকে মামা বলে ডাকত মেয়েটি। চার বছর ধরে নানা রকম ভয়ভীতি দেখিয়ে তাকে ধর্ষণ করা হচ্ছে। বিয়ের প্রলোভন দেখানো হয়েছে কয়েকবার। কিন্তু গর্ভে সন্তান আসার পর সে কৌশলে তার কাছ থেকে সরে গেছে। এসআই শহিদুল বলেন, অপরিপকস্ফ অবস্থায় জন্ম নিলেও শিশুটি ভালো আছে।

No comments:
Post a Comment